শেষ দৃশ্যপট ( ৭ম অধ্যায়)
(পর্ব ১৩) দিনে দিনে মুক্তার মন – চেতনা অদ্ভুতভাবে বিকশিত হতে থাকে। সংসারকে সেই কবে ছেড়ে দিয়ে সে আর দ্বিতীয় কোনো স্ত্রী গ্রহণ করেনি। নিজ গ্রামে ফিরে সে জঙ্গলের মধ্যে একটি ছোট কুড়ে ঘর তৈরি করে , সেখানেই ধ্যানের মাঝে লিপ্ত হয়। লোকের মুখে মুক্তার কাহিনী নানা রূপ ধারণ করে। কেউ বলে সে পাগল হয়ে গেছে , আবার কেউ বলে সে মাঝে মাঝে জিনের রাজ্যে চলে যায়। ভয়ানক জঙ্গল এবং তার নিরিবিলি ধ্যান – সঙ্গমের কারণে মানুষ সেখানে গিয়ে সাহস পায় না। তবু , কিছু লোক — যারা ভুত , প্রেম বা শারীরিক অসুস্থতায় কষ্টে থাকে — মুক্তার কাছে আসে তাবিজ বা ঔষধের জন্য। মুক্তা কারো সঙ্গে মিশতে চায় না , কাউকে দেখেও না। সেখানেই একা থাকে , একা রান্না করে , একা খায়। তবু বিপদে পড়লে বা সত্যিকার সাহায্যের প্রয়োজন হলে কেবল সেই মানুষটির সঙ্গে কথা বলে। এই একাকিত্বের মাঝে মুক্তার জীবন নিজস্ব নিয়মে বয়ে চলে , যেন জঙ্গলের সঙ্গে মিলেমিশে এক ধরনের রহস্যময় শান্তি গড়ে ওঠে। সাল ২০০০। তখনো সীমান্তর ...